আমরা কেউ বাসায় নেই

আমরা কেউ বাসায় নেই অবশেষে বাসায় ফিরলাম(বইখানা শেষ হলো)!!প্রথমবার মনে হয় হুমায়ূনের লেখা কোনো বই এতদিন ধরে পড়লাম।বই যে অনেক […]

আমরা কেউ বাসায় নেই

অবশেষে বাসায় ফিরলাম(বইখানা শেষ হলো)!!
প্রথমবার মনে হয় হুমায়ূনের লেখা কোনো বই এতদিন ধরে পড়লাম।বই যে অনেক বড় তেমন না,৮৯ পেইজের একটা বই।বইয়ের নামটা দেখেই পড়া শুরু করেছিলাম।বলতে দ্বিধা নেই,আমি কভার আর নাম দেখেই বই পড়ি!শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বইটা আমার ভালো বা খারাপ কোনোটাই লাগেনি।ভালো-খারাপের ঠিক মাঝখানে যদি একটা বর্ডার লাইন দেওয়া যায়,তাহলে সেই লাইনটাই আমার অনুভূতি বইটা সম্পর্কে।উত্তেজনাও নেই,অনাগ্রহও নেই!
গল্পকথক মঞ্জুর কথাবার্তা অর্থাৎ গল্প বলার ধরণ। অনুযায়ী তাকে মনে হচ্ছিলো মাধ্যমিক পড়ুয়া কোনো কিশোর।আসলে সে দু-দুবার অনার্স ফেইল করেছে!
মঞ্জুর বড় ভাই টগর।এক অদ্ভুত চরিত্র।আমাদের পৃথিবীতে যত ধর্মই আছে তার সবগুলোই কিন্তু মানষের মঙ্গলের কথা বলে।এমন কি কোনো ধর্ম আছে যার মূলনীতি অমঙ্গল?এই বইয়ে মঞ্জু এক ধর্মের প্রচারক, যার নাম সে দিয়েছে ‘রগট’।এই রগট ধর্মের নীতি ঠিক রাখতে গিয়ে সে বিভিন্ন কর্মকান্ড করে এবং স্বাভাবিকভাবেই তার প্রভাব পড়ে আশেপাশের মানুষের উপর।গল্পের খাতিরে ক্রমে ক্রমে আবির্ভাব হয় নতুন নতুন চরিত্রের।এভাবেই এগোতে থাকে গল্প,কিছু কাল্পনিক চরিত্রের কাল্পনিক জীবন…

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
গল্পে মঞ্জু এবং টগরের বাবা তার কর্মফল ভোগ করলেও তার জন্যে আমার অনেক খারাপ লেগেছে।টগরের কাজ যতই অদ্ভুত হোক না কেন,আমার মনে হয়েছে এই চরিত্রটি মানসিকভাবে অসুস্থ।পদ্ম এবং মঞ্জুর মধ্যে কিছুটা হিমু হিমু ভাব আছে।এটা কেন জানি না আমার ভালো লাগেনি।সর্বোপরি গল্পটা অনেক ভাবলেশহীন!!

চরিত্রঃ
১।মঞ্জু
২।টগর
৩।মঞ্জুর বাবা-মা
৪।পদ্ম
৫।পদ্মর না
আরো অনেকে।

লেখক পরিচিতিঃ
বাংলা কথাসাহিত্যে সংলাপ প্রধান নতুন সাহিত্যের জনক হুমায়ূন আহমেদ ( ১৩ই নভেম্বর ১৯৪৮ – ১৯ শে জুলাই ২০১২)। তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, নাট্যকার, ছোটগল্পকার হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

আমরা কেই বাসায় নেই
✒️হুমায়ূন আহমেদ
রিভিউয়ারঃ সুমাইয়া শেফা


Popular Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.